পর্যটক ভাড়ায় ১০% ভ্যাট, বাড়ছে সম্পত্তি করও..
রেকর্ড পর্যটক আগমনের সাফল্যের আড়ালে আবাসনসংকট, বাড়িভাড়া বৃদ্ধি ও স্থানীয়দের ক্ষোভ—পর্যটন ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য ফেরাতে স্পেনের নতুন উদ্যোগ…

পর্যটন একটি দেশের অর্থনীতিতে সমৃদ্ধি আনে, সৃষ্টি করে কর্মসংস্থান, বাড়ায় বিনিয়োগ এবং বিশ্বদরবারে তুলে ধরে দেশের পরিচিতি। কিন্তু পর্যটনের সাফল্য যখন স্থানীয় মানুষের আবাসন, জীবনযাত্রার ব্যয় ও নাগরিক অধিকারকে চাপে ফেলে, তখন সেই সাফল্যের স্থায়িত্ব নিয়েই দেখা দেয় প্রশ্ন। ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য স্পেন এখন ঠিক এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে রেকর্ডসংখ্যক বিদেশি পর্যটকের আগমন, অন্যদিকে বাড়িভাড়া বৃদ্ধি, আবাসনসংকট এবং অতিরিক্ত পর্যটনের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিবাদ। এই পরিস্থিতিতে পর্যটকদের স্বল্পমেয়াদি ভাড়ায় দেওয়া আবাসনের ওপর ১০ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। পাশাপাশি নির্দিষ্ট আবাসনচাপপূর্ণ এলাকায় পর্যটক ভাড়ার বাড়ির সম্পত্তি কর বাড়ানোর সুযোগও পাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।
পর্যটনের সাফল্য, কিন্তু কার জন্য?
ফ্রান্সের পর বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক পর্যটক-আকর্ষণকারী দেশ হিসেবে পরিচিত স্পেন। দেশটির সমুদ্রসৈকত, ঐতিহাসিক স্থাপনা, শিল্প-সংস্কৃতি, স্থাপত্য, খাদ্যসংস্কৃতি এবং প্রাণবন্ত নগরজীবন প্রতিবছর কোটি কোটি আন্তর্জাতিক পর্যটককে আকৃষ্ট করে। পর্যটন দেশটির অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, বিনোদন, খুচরা ব্যবসা এবং বিভিন্ন সেবামূলক খাতে এই শিল্পের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান রয়েছে।
কিন্তু পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেই স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মান সমানভাবে উন্নত হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। পর্যটনকেন্দ্রিক শহর ও অঞ্চলে আবাসনের চাহিদা বেড়ে গেলে বাড়ির মালিকদের কাছে স্বল্পমেয়াদি পর্যটক ভাড়া অধিক লাভজনক হয়ে উঠতে পারে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি ভাড়ার বাজারে বাড়ির সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বাড়িভাড়া ও বাড়ি কেনার ব্যয় বেড়ে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবার এবং পর্যটনশিল্পে কর্মরত মানুষের ওপরও চাপ পড়ে।
স্পেনের আবাসনসংকট এখন তাই কেবল অর্থনৈতিক সমস্যা নয়; এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ইস্যু। পর্যটন থেকে আয় বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সাশ্রয়ী আবাসনের অধিকার কীভাবে নিশ্চিত করা যায়, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে দেশটি।
১ ডিসেম্বর থেকে পর্যটক আবাসনে ১০ শতাংশ ভ্যাট
ভিয়েতনামভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ভিএনএক্সপ্রেস ইন্টারন্যাশনাল-এর ১২ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেনে গত ৮ অক্টোবর জারি করা একটি আবাসনবিষয়ক ডিক্রির আওতায় আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে পর্যটকদের ভাড়া দেওয়া আবাসনের ওপর ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হবে।
এর আগে এ ধরনের পর্যটক আবাসন ভ্যাটের আওতামুক্ত ছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার আবাসন পরিচালনাকারীদের জন্য কর-সংক্রান্ত ব্যয় বাড়বে। এই অতিরিক্ত ব্যয় ব্যবসায়ীরা নিজেরা বহন করবেন, নাকি ভাড়ার সঙ্গে পর্যটকদের কাছ থেকে আদায় করবেন—তা নির্ভর করবে বাজার পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানের ওপর।
নীতিনির্ধারকদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, নতুন করের মাধ্যমে পর্যটক আবাসনের বাজারে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা, অথচ পর্যটনশিল্পের বিকাশ ও প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অযথা ক্ষতিগ্রস্ত না করা।
একাধিক পর্যটক-ভাড়ার বাড়িতে আরও বেশি কর
নতুন ডিক্রিতে শুধু ভ্যাট আরোপের বিষয়টিই নয়, আবাসনসংকট মোকাবিলায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জন্য সম্পত্তি কর বাড়ানোর সুযোগও রাখা হয়েছে। তবে এ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে নির্ধারিত আবাসনচাপপূর্ণ এলাকায়।
স্পেনে বার্ষিক সম্পত্তি কর ‘আইবিআই’ (IBI) নামে পরিচিত। ম্যালোরকা এবং অলিভ নিউজ প্রেস স্পেন-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পর্যটকদের ভাড়া দেওয়া বাড়ির ক্ষেত্রে এই কর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। যেসব মালিকের এমন দুটি বা তার বেশি সম্পত্তি রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত করের হার ১০০ শতাংশ পর্যন্ত এবং চারটি বা তার বেশি সম্পত্তির মালিকদের ক্ষেত্রে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগের কথা বলা হয়েছে।
এই ব্যবস্থা মূলত পর্যটক ভাড়ার সম্পত্তি ও আবাসনবাজারের ওপর চাপের মধ্যে ভারসাম্য আনার একটি প্রচেষ্টা। তবে করের হার বাড়ানোই আবাসনসংকটের সম্পূর্ণ সমাধান নয়। এর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ভাড়ার জন্য বাড়ির সরবরাহ বাড়ানো, আবাসন নির্মাণে পরিকল্পিত বিনিয়োগ এবং স্থানীয় জনগণের আবাসনপ্রাপ্তি নিশ্চিত করার মতো পদক্ষেপও গুরুত্বপূর্ণ।
আবাসনসংকটের পেছনে পর্যটনের ভূমিকা
স্পেন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ভাড়াবাড়ির বাজারের প্রায় ১০ শতাংশ পর্যটক আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পর্যটননির্ভর শহর ও জনপ্রিয় গন্তব্যগুলোতে স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার চাহিদা বাড়তে থাকায় আবাসনবাজারে চাপ তৈরি হয়েছে বলে উদ্বেগ রয়েছে।
মহামারির পর আন্তর্জাতিক ভ্রমণ দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পর্যটকদের জন্য অ্যাপার্টমেন্ট, ব্যক্তিগত বাড়ি ও অন্যান্য স্বল্পমেয়াদি আবাসনের চাহিদাও বেড়েছে। অনেক বাড়ির মালিক পর্যটকদের কাছে বাড়ি ভাড়া দিয়ে তুলনামূলক বেশি আয় করতে আগ্রহী হন। কিন্তু একই বাড়ি যদি স্থানীয় পরিবারগুলোর দীর্ঘমেয়াদি আবাসনের জন্য বাজারে না থাকে, তাহলে আবাসনপ্রাপ্তির সুযোগ সীমিত হয়ে যেতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশ মনে করছেন, অতিরিক্ত পর্যটন তাঁদের নিজস্ব শহরে বসবাসের ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে ওভারট্যুরিজমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদও হয়েছে। তাঁদের উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে বাড়িভাড়া, বাড়ি কেনার ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রার পরিবর্তন।
তবে আবাসনসংকটের জন্য পর্যটনকে একমাত্র দায়ী করা যায় না। নতুন বাড়ি নির্মাণের গতি, জমির মূল্য, নগর পরিকল্পনা, সুদের হার, জনসংখ্যার পরিবর্তন এবং স্থানীয় আবাসননীতিও এ সংকটের সঙ্গে জড়িত। তাই কার্যকর সমাধানের জন্য প্রয়োজন সমন্বিত নীতি।
রেকর্ডের পর রেকর্ড পর্যটক আগমনে স্পেন
আবাসনসংকটের মধ্যেও স্পেনের পর্যটনশিল্পের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬ সালের আগস্টে দেশটিতে ১ কোটি ২৩ লাখ বিদেশি পর্যটক ভ্রমণ করেন। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় এই সংখ্যা ৯ দশমিক ২ শতাংশ বেশি এবং আগস্ট মাসের হিসাবে এটি একটি নতুন রেকর্ড।
এর আগে জুন মাসে স্পেনে পর্যটক এসেছিলেন ৯৭ লাখ ৪০ হাজার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। জুলাই মাসে পর্যটকের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজারে, যা আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।
২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে দেশটিতে মোট ৭ কোটি ৪০ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বছর শেষে স্পেনে পর্যটকের সংখ্যা ১০ কোটিতে পৌঁছাতে পারে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে দেশটি রেকর্ড ৯ কোটি ৭০ লাখ পর্যটক গ্রহণ করেছিল।
এই পরিসংখ্যান স্পেনের পর্যটনশিল্পের শক্তি ও আন্তর্জাতিক আকর্ষণকে তুলে ধরে। একই সঙ্গে এটি পর্যটন ব্যবস্থাপনার একটি মৌলিক চ্যালেঞ্জও সামনে আনে—ক্রমবর্ধমান পর্যটকসংখ্যার সঙ্গে আবাসন, পরিবহন, পরিবেশ ও নাগরিক সেবার সক্ষমতা কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখা যায়?
পর্যটকের সংখ্যা নয়, প্রয়োজন দায়িত্বশীল পর্যটন
স্পেনের নতুন করনীতি বিশ্ব পর্যটন ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একটি গন্তব্যের সাফল্য কি শুধু কতজন পর্যটক এলেন, কত অর্থ ব্যয় করলেন কিংবা পর্যটন থেকে কত রাজস্ব আয় হলো—এসব সূচক দিয়ে নির্ধারিত হবে? নাকি স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মান, পরিবেশের সুরক্ষা এবং আবাসনপ্রাপ্তির সুযোগও পর্যটন উন্নয়নের মূল্যায়নে সমান গুরুত্ব পাবে?
দায়িত্বশীল ও টেকসই পর্যটনের ধারণা অনুযায়ী, পর্যটনশিল্পের অর্থনৈতিক সুবিধা এমনভাবে বণ্টিত হওয়া প্রয়োজন, যাতে স্থানীয় জনগণও উন্নয়নের সুফল পায়। পর্যটনকেন্দ্রিক এলাকায় আবাসনের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য রাখা, স্থানীয় সংস্কৃতি ও পরিবেশ রক্ষা করা এবং জনসেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
স্পেনের নতুন উদ্যোগের কার্যকারিতা নির্ভর করবে করনীতির বাস্তব প্রয়োগ, স্থানীয় প্রশাসনের সক্ষমতা, পর্যটক আবাসনের নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘমেয়াদি আবাসন সরবরাহ বৃদ্ধির ওপর। কর বাড়িয়ে যদি পর্যটক আবাসনের বাজারে প্রয়োজনীয় ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা যায় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য আবাসনের সুযোগ বাড়ে, তাহলে তা দায়িত্বশীল পর্যটন ব্যবস্থাপনার একটি কার্যকর উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে। তবে এর প্রকৃত ফলাফল বুঝতে নতুন নীতি কার্যকর হওয়ার পরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশের জন্যও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা
বাংলাদেশ পর্যটনশিল্পের বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। কক্সবাজার, সুন্দরবন, সিলেট, পার্বত্য চট্টগ্রাম, ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং গ্রামীণ ও সাংস্কৃতিক পর্যটনকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি পর্যটকের আগ্রহ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হোটেল, রিসোর্ট, গেস্টহাউস ও বিকল্প আবাসন খাতে বিনিয়োগও গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু পর্যটনকেন্দ্রিক এলাকায় অপরিকল্পিত আবাসন সম্প্রসারণ, জমির মূল্য বৃদ্ধি, পরিবেশের ওপর চাপ এবং স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব যেন তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। পর্যটন উন্নয়নের পরিকল্পনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, সাশ্রয়ী আবাসন এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতার বিষয়গুলো শুরু থেকেই বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।
বাংলাদেশের জন্য স্পেনের অভিজ্ঞতার মূল শিক্ষা হলো, পর্যটন উন্নয়ন ও আবাসননীতি আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। প্রয়োজনভিত্তিক বিধিবিধান, স্বচ্ছ করব্যবস্থা, কার্যকর নগর পরিকল্পনা এবং স্থানীয় জনগণের স্বার্থ সুরক্ষার মাধ্যমে পর্যটনকে আরও টেকসই করা সম্ভব।
পর্যটনের জোয়ারে যেন ভেসে না যায় মানুষের অধিকার
স্পেনের সামনে এখন দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জ—বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রাখা এবং একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষের জন্য বাসযোগ্য শহর নিশ্চিত করা। পর্যটক ভাড়ায় ১০ শতাংশ ভ্যাট ও নির্দিষ্ট এলাকায় সম্পত্তি কর বাড়ানোর উদ্যোগ সেই ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টারই অংশ।
তবে দীর্ঘমেয়াদে সাফল্য নির্ভর করবে পর্যটনশিল্পের প্রবৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর। পর্যটন অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের পথ খুলে দেবে—কিন্তু তার বিনিময়ে স্থানীয় মানুষকে নিজেদের শহরে বসবাসের সামর্থ্য হারাতে হলে সেই উন্নয়ন নিয়ে নতুন করে ভাবতেই হবে।
কারণ, একটি গন্তব্যের প্রকৃত সৌন্দর্য শুধু তার সমুদ্রসৈকত, ঐতিহাসিক স্থাপনা কিংবা পর্যটকের ভিড়ে নয়; সেই গন্তব্যের মানুষের জীবন কতটা সুন্দর, নিরাপদ ও টেকসই—তার মধ্যেও নিহিত।
ভ্রমণডেস্ক