২০২৬ সালের বৈশ্বিক খাদ্য তালিকায় বিভিন্ন দেশের ঐতিহ্য, স্বাদ, উপকরণ ও রান্নার বৈচিত্র্য নতুন করে মূল্যায়িত হয়েছে।

২০২৬ সালের Taste Atlas রিপোর্ট লাতিন আমেরিকার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক তুলে ধরেছে। পেরু বিশ্বব্যাপী ৩য় স্থান অর্জন করে নিঃসন্দেহে আমেরিকা মহাদেশের অন্যতম শক্তিশালী রন্ধনশৈলীর দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বৈশ্বিক গ্যাস্ট্রোনমির পরিবর্তিত চিত্র নিচে বিশ্বের সেরা ১৫টি দেশের তালিকা তুলে ধরা হলো:
হাইলাইটস
- ইতালি ও গ্রিস এখনও বিশ্ব খাদ্য তালিকার শীর্ষে—তাদের ঐতিহ্যবাহী, স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু খাবারের জন্য।
- পেরু দ্রুত উত্থান ঘটিয়ে ৩য় স্থানে উঠে এসেছে—বিশেষ করে সেভিচে ও ফিউশন কুইজিনের জন্য।
- পর্তুগাল ও স্পেন ইউরোপীয় ফ্লেভারের শক্ত অবস্থান বজায় রেখেছে।
- জাপান ও তুরস্ক তাদের অনন্য রান্না ও সংস্কৃতির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে।
- মেক্সিকো এবার টপ ১০-এর বাইরে চলে গেছে, যা একটি বড় পরিবর্তন।
গ্লোবাল পডিয়াম
ইতালি (৪.৬৪) এবং গ্রিস (৪.৬০) তাদের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে, তবে পেরু (৪.৫৪) তার বৈচিত্র্যময় ও বিশ্ববিখ্যাত খাবারের কারণে খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।
আঞ্চলিক পরিবর্তন
সাম্প্রতিক সময়ে প্রথমবারের মতো মেক্সিকো গ্লোবাল টপ ১০ থেকে ছিটকে পড়ে এখন ১১তম স্থানে অবস্থান করছে।
উদীয়মান প্রতিযোগিতা
পর্তুগাল (৪.৫৩) এবং জাপান (৪.৪৯)-এর মতো দেশগুলো দ্রুত এগিয়ে আসছে, যা আন্তর্জাতিক রন্ধনশৈলীর স্বীকৃতির প্রতিযোগিতাকে আরও তীব্র করে তুলছে।

ডেটাসেট
| দেশ | র্যাঙ্ক | স্কোর |
| ইতালি | ১ | ৪.৬৪ |
| গ্রিস | ২ | ৪.৬০ |
| পেরু | ৩ | ৪.৫৪ |
| পর্তুগাল | ৪ | ৪.৫৩ |
| স্পেন | ৫ | ৪.৫৩ |
| জাপান | ৬ | ৪.৪৯ |
| তুরস্ক | ৭ | ৪.৪৯ |
| চীন | ৮ | ৪.৪৮ |
| ফ্রান্স | ৯ | ৪.৪৮ |
| ইন্দোনেশিয়া | ১০ | ৪.৪৮ |
| মেক্সিকো | ১১ | ৪.৪৬ |
| সার্বিয়া | ১২ | ৪.৪৫ |
| ভারত | ১৩ | ৪.৪৩ |
| পোল্যান্ড | ১৪ | ৪.৪২ |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১৫ | ৪.৪২ |
ভ্রমণডেস্ক