Category: স্টে-ফুড-ট্রান্সপোর্ট

  • “স্যামনের স্বাদে সাগরের দুই দুনিয়া” — Pacific না Atlantic, কোনটি আপনার পাতে সেরা?

    “স্যামনের স্বাদে সাগরের দুই দুনিয়া” — Pacific না Atlantic, কোনটি আপনার পাতে সেরা?

    বিশ্বজুড়ে ফুড লাভারদের প্লেটে স্যামনের জয়জয়কার। কিন্তু আপনি কি জানেন—এই এক মাছের মধ্যেই লুকিয়ে আছে দুই ভিন্ন জগতের গল্প? একদিকে বন্য প্রকৃতির মুক্তস্বাদ, অন্যদিকে আধুনিক খামারের নিয়ন্ত্রিত উৎপাদন। প্রশান্ত মহাসাগরের (Pacific) স্যামন আর আটলান্টিকের (Atlantic) স্যামনের এই পার্থক্য শুধু স্বাদেই নয়—পুষ্টি, রং, গঠন এমনকি পরিবেশগত দিক থেকেও বিস্ময়করভাবে আলাদা।

    Atlantic স্যামন

    Pacific স্যামন

    বন্য প্রকৃতি বনাম খামারের বাস্তবতা

    Pacific স্যামন সাধারণত বন্য পরিবেশে বেড়ে ওঠে—নদী ও সাগরের প্রাকৃতিক খাদ্য খেয়ে। ফলে এর স্বাদে থাকে এক ধরনের গভীরতা ও বৈচিত্র্য।
    অন্যদিকে Atlantic স্যামন মূলত খামারে উৎপাদিত, যেখানে নির্দিষ্ট খাদ্য দিয়ে দ্রুত বড় করা হয়। এতে স্বাদ হয় মৃদু, কিন্তু টেক্সচার হয় নরম ও মসৃণ।

    স্বাদে কার জিত?

    খাদ্যরসিকদের কাছে পার্থক্যটা স্পষ্ট—Pacific স্যামন: কম ফ্যাট, কিন্তু স্বাদে তীব্র ও প্রাকৃতিক। Atlantic স্যামন: বেশি ফ্যাট, নরম টেক্সচার, স্বাদে হালকা। যারা “রিয়েল ফিশ ফ্লেভার” খুঁজছেন, তাদের কাছে Pacific স্যামন এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

    রং ও গঠনে চোখ ধাঁধানো পার্থক্য

    দেখতেই বোঝা যায়—

    • Pacific স্যামন: গাঢ় লাল বা কমলা, দৃঢ় মাংস
    • Atlantic স্যামন: হালকা গোলাপি, ফ্যাটের সাদা দাগ বেশি

    অনেক সময় খামারের স্যামনে রং বাড়াতে কৃত্রিম উপাদানও ব্যবহার করা হয়—যা অনেকেই জানেন না।

    পুষ্টির দিক থেকে কে এগিয়ে?

    দুটোই পুষ্টিগুণে ভরপুর—প্রোটিন, ওমেগা-৩, ভিটামিন সবই রয়েছে। তবে—

    • Pacific স্যামন: কম ফ্যাট, দূষণের ঝুঁকি কম
    • Atlantic স্যামন: বেশি ফ্যাট, কিন্তু সহজলভ্য

    স্বাস্থ্যসচেতনদের কাছে তাই বন্য স্যামনের কদর একটু বেশি।

    দাম ও প্রাপ্যতা: বাস্তব হিসাব

    • Atlantic স্যামন: সারা বছর পাওয়া যায়, দাম তুলনামূলক কম
    • Pacific স্যামন: মৌসুমি, দাম বেশি

    তাই দৈনন্দিন রান্নায় Atlantic বেশি ব্যবহৃত হলেও, বিশেষ ডিশে Pacific-ই “স্টার”।

    পরিবেশের প্রশ্নেও আছে ভাবনা

    খামারের স্যামন নিয়ে রয়েছে কিছু বিতর্ক—জলদূষণ, রোগ ছড়ানো, এমনকি মাছ পালিয়ে গিয়ে পরিবেশে প্রভাব ফেলার আশঙ্কা। অন্যদিকে বন্য স্যামন প্রকৃতির খাদ্যচক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আপনি যদি চান—
    ✔️গভীর স্বাদ, প্রাকৃতিক অভিজ্ঞতা → Pacific স্যামন
    ✔️ সহজলভ্যতা, কম দাম, নিয়মিত ব্যবহার → Atlantic স্যামন

    স্যামন বেছে নেওয়া মানে শুধু মাছ কেনা নয়—এটি এক ধরনের লাইফস্টাইল চয়েস।

    ভ্রমণ আর স্বাদের মিলন

    বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ালে এই দুই স্যামনের স্বাদ আলাদা করে অনুভব করা যায়। তাই একজন ভ্রমণপ্রেমীর জন্য, স্যামনের এই গল্প শুধু খাবারের নয়—এটি প্রকৃতি, সংস্কৃতি আর স্বাদের এক অনন্য ভ্রমণ।

    মেরি জো ডিলোনার্দো, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

  • কেন বিমানের সিট প্রায় সবসময় নীল? যাত্রীরা যা জানেননা, এয়ারলাইন্সগুলো তা জানে

    কেন বিমানের সিট প্রায় সবসময় নীল? যাত্রীরা যা জানেননা, এয়ারলাইন্সগুলো তা জানে

    আপনি কি কখনও লক্ষ্য করেছেন, কতগুলো বিমানের সিট নীল রঙের? এটি মোটেও কাকতালীয় বা শুধু নান্দনিকতার জন্য নয়। এয়ারলাইন্সগুলো কুশন, কাপড় ও রঙের প্যালেট বেছে নেয় মনোবিজ্ঞান, রক্ষণাবেক্ষণের বাস্তবতা এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতার কথা ভেবে। যাত্রীরা নীলকে হয়তো একটি মনোরম পছন্দ হিসেবে দেখেন, কিন্তু এয়ারলাইন্সের কাছে এটি তাদের ব্র্যান্ডিং, আরাম কৌশল এবং পরিচালন দক্ষতার অংশ। দাগ লুকানো থেকে শুরু করে নার্ভাস যাত্রীকে শান্ত করা—বিমানের অভ্যন্তরীণ নকশায় নীল রঙ আশ্চর্যজনকভাবে অনেক ভূমিকা পালন করে। কেন নীল রঙ এয়ারলাইনের কেবিনে প্রাধান্য পায় তা বুঝলে যাত্রী অভিজ্ঞতা ও এয়ারলাইনের লজিস্টিকস সম্পর্কে এমন অনেক ধারণা পাওয়া যায়, যা অধিকাংশ যাত্রী কখনও ভাবেন না।

    রঙের মনোবিজ্ঞান ও যাত্রীর আরাম

    এয়ারলাইন্সগুলো রঙের মনোবিজ্ঞানের দিকে গুরুত্ব দেয়, কারণ এটি যাত্রীদের মনের ওপর প্রভাব ফেলে। নীল রঙ শান্তভাব, স্থিতিশীলতা ও বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িত—এয়ারলাইন্সগুলো চায় যাত্রীরা ৩০,০০০ ফুট উচ্চতায়ও এমন অনুভূতি অনুভব করুন। নার্ভাস যাত্রী ও নিয়মিত ভ্রমণকারী—দু’জনেই অবচেতনভাবে কেবিনের রঙের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখান; শান্ত রঙ সীমিত জায়গায় চাপ কমাতে সাহায্য করে। নীলের মতো ঠান্ডা রঙ যাত্রীদের অতিরিক্ত উত্তেজিত করে না। দীর্ঘ ফ্লাইটে এটি বিশেষভাবে সহায়ক, কারণ আরামদায়ক স্নায়ুতন্ত্র অস্বস্তি কমাতে, বিশ্রাম নিতে বা ঘুমাতে সাহায্য করতে পারে। নীল সিট বেছে নেওয়া দৃশ্যমান নকশার মাধ্যমে আরাম বাড়ানো ও ভ্রমণের চাপ কমানোর একটি সূক্ষ্ম উপায়।

    ব্যবহারিক সুবিধা: ক্ষয় ও দাগ আড়াল করা

    বিমানের কেবিন প্রচুর ব্যবহার হয়—সিট প্রতিদিন পরিষ্কার করা হয় এবং প্রায়ই খাবার-পানীয় পড়া, ঘষা ও ঘর্ষণের মুখে পড়ে। নীল কাপড় হালকা বা উজ্জ্বল রঙের তুলনায় দাগ ও ক্ষয় অনেক ভালোভাবে আড়াল করতে পারে। এয়ারলাইন্সগুলো যতদিন সম্ভব কেবিনকে পরিষ্কার ও পেশাদার দেখাতে চায় বলে গাঢ় নীল ও নেভি টোন বাস্তবসম্মত পছন্দ। এতে আসবাবের ক্ষয়ের দৃশ্যমান প্রভাব কমে এবং গভীর পরিষ্কার বা বদলের মাঝের সময়টা বেড়ে যায় । এই ব্যবহারিকতা রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমায় এবং বহু ফ্লাইট জুড়েই কেবিনকে আকর্ষণীয় রাখে।

    ব্র্যান্ড পরিচয় ও শিল্পের ঐতিহ্য

    অনেক এয়ারলাইন্স নীল বেছে নেয়, কারণ এটি আকাশ, সমুদ্র ও ভ্রমণের স্বাধীনতার সঙ্গে তাদের ব্র্যান্ড পরিচয়কে যুক্ত করে। নীল একটি নিরাপদ নিরপেক্ষ রঙ, যা বিভিন্ন ক্যারিয়ারের ব্র্যান্ড রঙ—লাল, সোনালি বা সবুজ—সবকিছুর সঙ্গেই মানানসই। সময়ের সঙ্গে যাত্রীরাও নীল সিটকে এয়ারলাইনের অভ্যন্তরের সঙ্গে যুক্ত করে ফেলেছেন, যা পরিচিতি ও প্রত্যাশার অনুভূতি জোরদার করে। শুরুতে ব্যবহারিক পছন্দ হলেও, নীল ধীরে ধীরে শিল্পের এক ধরনের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে—যা সিটবেল্ট সাইন নিভে যাওয়ার আগেই ধারাবাহিকতা ও পেশাদারিত্বের বার্তা দেয়।

     বায়ুগতিবিদ্যা ও আলো-সংক্রান্ত বিবেচনা

    কেবিনের আলো ও রঙের পারস্পরিক প্রভাবও সিটের রঙ নির্ধারণে ভূমিকা রাখে। আধুনিক বিমানে ব্যবহৃত LED ও অ্যাম্বিয়েন্ট লাইটিংয়ের সঙ্গে নীল টোন ভালোভাবে কাজ করে—দিনের আলো ও মৃদু আলো—দুই অবস্থাতেই ভারসাম্যপূর্ণ দেখায়। দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইটে মুড লাইটিং বা ঘুমের চক্রের সময় নীল চোখে আরামদায়ক থাকে এবং ঝলক তৈরি করে না। বিপরীতে, উজ্জ্বল বা অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড রঙ পরিবর্তনশীল আলোতে খুব তীব্র মনে হতে পারে, যা চোখে ক্লান্তি আনে। তাই নীলের মতো সংযত রঙ বিভিন্ন আলোর পরিবেশে স্থিতিশীল ও শান্ত উপস্থিতি বজায় রাখে।

    ভবিষ্যৎ প্রবণতা ও আরামের নতুন উদ্ভাবন

    নীল এখনও প্রাধান্য পেলেও, ভবিষ্যতের কেবিন রঙে প্রভাব ফেলতে পারে—এমন নতুন আরামমূলক ধারণা নিয়ে এয়ারলাইন্সগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। কিছু ক্যারিয়ার দ্বৈত-টোন কুশন, অ্যাকসেন্ট ট্রিম বা আরগোনমিক সাপোর্ট ও বায়ুপ্রবাহ-সহায়ক উপকরণ যুক্ত করছে। এসব উদ্ভাবনের মধ্যেও নীল প্রায়ই মূল রঙ হিসেবে থাকে, কারণ এর মনোবৈজ্ঞানিক ও ব্যবহারিক সুবিধা প্রমাণিত। যাত্রীদের সুস্থতায় বিনিয়োগ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসপ্রশ্বাসযোগ্য কাপড়, লাম্বার সাপোর্ট ও অভিযোজ্য আলো—এসবই সিটের রঙের পছন্দকে পরিপূরক করবে। তবে আপাতত, নীলই রয়ে গেছে একটি কৌশলগত, পরীক্ষিত পছন্দ—যেটি অধিকাংশ যাত্রী খেয়ালই করেন না।

    এলিয়াস সিগেলম্যান,  ৩ জানুয়ারি, ২০২৬

  • আকাশে প্লেনের ভেতর চোরের উৎপাত: অন্য যাত্রীর ব্যাগ চুরির দায়ে বিজনেস ক্লাসের যাত্রীর কারাদণ্ড

    আকাশে প্লেনের ভেতর চোরের উৎপাত: অন্য যাত্রীর ব্যাগ চুরির দায়ে বিজনেস ক্লাসের যাত্রীর কারাদণ্ড

    সহযাত্রীর লাগেজ চুরির দায়ে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে একজন যাত্রীকে ২০ মাসের কারাদন্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। ২৬ বছর বয়সী লিউ মিং ৭ আগস্ট দুবাই থেকে সিঙ্গাপুরগামী ফ্লাইটে ওঠেন এবং বিজনেস ক্লাস কেবিনে থাকা আজারবাইজানের এক ব্যক্তি ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাগ থেকে জিনিসপত্র চুরি করার চেষ্টা করেন।

    চীনা নাগরিক লিউ চুরির অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। আদালতকে জানানো হয়, লিউ বিশেষভাবে বিজনেস ক্লাসের সহযাত্রীদের কাছ থেকে উচ্চমূল্যের জিনিসপত্র চুরির উদ্দেশ্য নিয়েই ফ্লাইটে উঠেছিলেন।

    ভুক্তভোগীর ব্যাগে থাকা জিনিসপত্রের মোট মূল্য ছিল ১ লক্ষ সিঙ্গাপুর ডলারেরও বেশি।

    লিউ বসেছিলেন ৫২ বছর বয়সী ওই আজারবাইজানি বিজনেস ক্লাস যাত্রীর আসনের পাঁচ সারি সামনে এবং তাঁর স্ত্রীর আসনের ঠিক এক সারি সামনে।

    ৮ আগস্ট ভোরের দিকে, রাতের খাবার পরিবেশন শেষ হওয়ার পর এবং কেবিনের আলো ম্লান হয়ে এলে লিউ চুরির চেষ্টা করেন। ভুক্তভোগী তখন ঘুমিয়ে ছিলেন, কিন্তু তাঁর স্ত্রী অল্প সময়ের মধ্যে ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখেন, লিউ তাঁর স্বামীর আসনের দিকে গিয়ে ওভারহেড কম্পার্টমেন্ট থেকে ভুক্তভোগীর লাগেজ নামিয়ে নিজের আসনের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।

    ভুক্তভোগীর স্ত্রী ওই ব্যক্তিকে বাধা দেন এবং তাঁর কথাবার্তা বুঝতে না পেরে কেবিন ক্রুকে বিষয়টি জানান। বিপদ বুঝতে পেরে লিউ আবার ভুক্তভোগীর আসনের কাছে গিয়ে যেখান থেকে লাগেজটি নিয়েছিলেন, সেখানেই তা রেখে দেন।

    লিউ কেবিন ক্রুকে বলেন, নিজের ব্যাগ ভেবে ভুল করে তিনি লাগেজটি নিয়েছিলেন। কেবিন ক্রু চাঙ্গি বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড স্টাফকে বিষয়টি জানান এবং বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর লিউকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    ভুক্তভোগীর ব্যাগে থাকা জিনিসপত্রের মোট মূল্য ছিল ১ লক্ষ সিঙ্গাপুর ডলারেরও বেশি (৫৭,৬২৫ পাউন্ড)। এসবের মধ্যে ছিল নগদ অর্থ, প্রায় ২,১০০ সিঙ্গাপুর ডলার মূল্যের একটি হুয়াওয়ে ল্যাপটপ, ৫,৪০০ সিঙ্গাপুর ডলারের বেশি মূল্যের ৫৬টি সিগার, ৩৫,০০০ সিঙ্গাপুর ডলারের বেশি মূল্যের একটি শোপার্ড ঘড়ি এবং ৫১,০০০ সিঙ্গাপুর ডলারের বেশি মূল্যের একটি অডেমার পিগে ঘড়ি। আদালতকে জানানো হয়, কোনো জিনিসই হারায়নি, কারণ লাগেজ নেওয়ার পরপরই ভুক্তভোগীর স্ত্রী লিউকে ধরে ফেলেছিলেন।

    পুলিশ জানায়, তদন্ত চলাকালে লিউ অসহযোগিতামূলক আচরণ করেন এবং চুরির বিষয়টি অস্বীকার করে এটিকে ভুলবশত ঘটেছে বলে দাবি করতে থাকেন। তবে লিউর ব্যাগটি ভুক্তভোগীর ব্যাগ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল।

    ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর চিয়া ওয়েনজি সর্বোচ্চ ২০ মাসের কারাদ-ের আবেদন জানান। তিনি বলেন, “সিঙ্গাপুরের জাতীয় বিমান সংস্থার ফ্লাইটে এ ধরনের চুরি বাড়তে থাকলে তা সংস্থাটির সুনাম এবং সিঙ্গাপুরের পর্যটন শিল্প উভয়েরই ক্ষতি করবে।”

    এই সাজা আসে আরেক চীনা নাগরিক ঝাং কুনকে মে মাসে ১০ মাসের কারাদ- দেওয়ার পর। তিনি স্কুট এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সহযাত্রীর কাছ থেকে চুরি করার দায়ে দ-িত হন।

    ১৬ মার্চ কুয়ালালামপুর থেকে সিঙ্গাপুরগামী একটি ফ্লাইটে ওভারহেড কম্পার্টমেন্ট থেকে এক যাত্রীর ব্যাকপ্যাক চুরির অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

    ভ্রমণ ইন্টারন্যাশনালডেস্ক, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

  • ‘টেস্টঅ্যাটলাস’ র‌্যঙ্কিংয়ে বিশ্বে ২৯তম অবস্থানে মালয়েশিয়ান ফুড

    ‘টেস্টঅ্যাটলাস’ র‌্যঙ্কিংয়ে বিশ্বে ২৯তম অবস্থানে মালয়েশিয়ান ফুড

    আন্তর্জাতিক খাদ্য সাময়িকী ‘টেস্টঅ্যাটলাস’-এর বিবেচনায়, এ বছর বিশ্বের ১০০টি সেরা খাবারের তালিকায় মালয়েশিয়ান খাবারের অবস্থান ২৯তম।

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মালয়েশিয়া সিঙ্গাপুর ও লাওসের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে, উল্লেখ্য, দেশ দুটির অবস্থান যথাক্রমে ৯০তম ও ৯৬তম।

    চলতি এই র‌্যাঙ্কিং নির্ধারিত হয়েছে ‘টেস্টএটলাস’-এর ডাটাবেসে থাকা ১৮,৯১২টি খাবারের জন্য প্রাপ্ত ৫৯০,২২৮টি রেটিংয়ের ভিত্তিতে। ‘টেস্টএটলাস’ ডাইনারদের মালয়েশিয়ায় চেখে দেখার মতো খাবারের তালিকায় রয়েছে রুটি চানাই, যাকে মালয়েশিয়ার শীর্ষ নাশতার খাবার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও কারি আয়াম (মুরগির কারি), ম্যাঙ্গোস্টিন এবং কারিপাপ (কারি পাফ) সুপারিশ করেছে।

    মালয়েশিয়ার কিছু আইকনিক ঐতিহ্যবাহী রেস্তোরাঁর মধ্যে রয়েছে বিজান বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট (কুয়ালালামপুর), ডিং হিয়ং গোল্ডেন আপাম বালিক (কুয়ালালামপুর), পেটালিং স্ট্রিটের আপাম বালিক স্টল (কুয়ালালামপুর), টেক সেন রেস্টুরেন্ট (জর্জ টাউন), এবং লিন থাই লো মি লেবুহ আহ কুই (জর্জ টাউন)।

    ‘টেস্টএটলাস’ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালে, এখানে প্রায় ৯,০০০ স্থানীয় রেস্তোরাঁকে সংযুক্ত করেছে যেখানে হাজারো পদের খাবারের আয়োজন থাকে। রন্ধনবিশেষজ্ঞ, খ্যাতিমান শেফ ও ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন রিভিউ ও গবেষণার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি এই রেটিং করে থাকে।

    এই সাইটটি স্থানীয় উপকরণে তৈরি ঐতিহ্যবাহী খাবারের একটি বৈশ্বিক মানচিত্র হিসেবে কাজ করে। এটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে উল্লেখযোগ্য মজাদার খাবারকে উদযাপন করা, রান্নার ঐতিহ্য নিয়ে গর্ববোধ জাগানো ও বহু পর্যটকের কাছে অপরিচিত খাবার সম্পর্কে কৌতূহল বা আগ্রহ সৃষ্টি করা, যা তারা সফলভাবেই করে আসছে।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের পেছনে অবস্থান করছে মালয়েশিয়া।

    ভ্রমণডেস্ক

  • আকাশ-ভ্রমণরাজ্যে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের-‘টাইম ফর প্রিমিয়াম এস্কেপেডস’

    আকাশ-ভ্রমণরাজ্যে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের-‘টাইম ফর প্রিমিয়াম এস্কেপেডস’

    ‘টাইম ফর প্রিমিয়াম এস্কেপেডস’ এর দুর্দান্ত ও অব্যাহত প্রচারের মাধ্যমে আকাশ-ভ্রমণরাজ্যে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স এগিয়ে চলেছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। বস্তুত এর মাধ্যমে  এয়ারলাইন্সটি আকাশভ্রমণ সেবাকে যেন নতুনরূপে সংজ্ঞায়িত করেছে। বিশেষভাবে মালয়েশিয়ান আতিথেয়তায় ভরপুর বিজনেস ক্লাসে যাত্রার আমন্ত্রণের সাথে পরিকল্পিত নিরবিচ্ছিন্ন বহুমাত্রিক ইন-ফ্লাইট সেবা ব্যবস্থা ভ্রমণকারীর পুরো বিমান যাত্রাকে আনন্দময় করে তুলবে বহুগুণে।

    মালয়েশিয়া এভিয়েশন গ্রুপ (MAG)-এর প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা ডারসেনিশ অ্যারেসানদিরান বলেন, জাতীয় এয়ারলাইন্স হিসেবে মালয়েশিয়াকে বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত করার একটি গৌরবময় ঐতিহ্য রয়েছে আমাদের, এবং আমরা মালয়েশিয়ান বৈশিষ্ট্যযুক্ত প্রিমিয়াম ভ্রমণ অভিজ্ঞতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি অটুটভাবে পালন করে চলেছি। ‘টাইম ফর প্রিমিয়াম এস্কেপেডস’-এর মাধ্যমে আমরা ভ্রমণকারীদের সেই আরাম, যত্ন ও উৎকর্ষ আবারও অনুভব করার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি, যা মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সকে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে বরাবরই পছন্দের এয়ারলাইন্সে পরিণত করেছে; একইসাথে এটি এই অঞ্চল ও বিশ্বের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করার সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে।

    ৫ থেকে ২০ আগস্ট ২০২৫ তারিখের মধ্যে টিকেট নিয়ে বিজনেস ক্লাসে মাত্র ৯২৯ ডলারে রিটার্ণ টিকেটে ভ্রমণ করার সুযোগ উপভোগ করা যাবে এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ এশিয়া এবং ইউরোপের নির্দিষ্ট গন্তব্যে। ভ্রমণকাল: ৭ আগস্ট ২০২৫ থেকে ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত।

    এনরিচ (Enrich) সদস্যরা ৫-৬ আগস্ট তারিখে এয়ারলাইন্সের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও অ্যাপে অতিরিক্ত ৫% ছাড় পাবেন। এনরিচ মেম্বারগণ মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে oneworld এর অংশীদার অন্য ১৫টি এয়ারলাইনের যেকোনো ফ্লাইটের জন্য এনরিচ পয়েন্ট ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ওয়ানওয়ার্ল্ড-এর মাধ্য পৃথিবীর ৯০০টিরও বেশি গন্তব্যে ভ্রমণের অসাধারণ সুযোগ রয়েছে।

    ভ্রমণ শুরু হওয়ার মুহূর্ত থেকেই বিজনেস ক্লাস যাত্রীরা উপভোগ করবেন আগ্রাধিকার চেক-ইন, ৫০ কেজি ব্যাগেজ এলাউয়েন্স এবং মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের গোল্ডেন লাউঞ্জ উপভোগের আকর্ষণীয় সুযোগ। লাউঞ্জে উন্নতমানের সুস্বাদু খাবার, পানীয় ও মনোরম  শান্ত পরিবেশ যত্রীদের বাড়তি আনন্দ দেবে।

    ব্যবসা, অবসর-বিনোদন বা বহু প্রতীক্ষিত পুনর্মিলন, উদ্দেশ্যে যাই হোক, মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স সর্বদা একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ‘টাইম ফর প্রিমিয়াম এস্কেপেডস’ প্রচার কার্যক্রম এশিয়া প্যাসিফিক ও তার বাইরেও আঞ্চলিক ও দীর্ঘ-দূরত্বের উন্নত ভ্রমণে যাত্রীদের প্রথম পছন্দ হওয়ার লক্ষ্যে তাদের অঙ্গীকার তুলে ধরে, যেখানে আধুনিক উদ্ভাবন মিলেমিশে ওঠে মালয়েশিয়ান আতিথেয়তার চিরন্তন উষ্ণতার সঙ্গে। আপনার পরবর্তী প্রিমিয়াম যাত্রা নিশ্চিত করতে ভিজিট করতে পারেন malaysiaairlines.com

    ভ্রমণডেস্ক

  • হোটেল গ্র্যান্ড পার্ক বরিশালে শুক্রবারের সেরা আয়োজন..

    হোটেল গ্র্যান্ড পার্ক বরিশালে শুক্রবারের সেরা আয়োজন..

    প্রতি শুক্রবার রাতে হোটেল গ্র্যান্ড পার্ক বরিশালে নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হচ্ছে শহরের সেরা স্বাদের খাবারের এক মহা আয়োজন।

    অসাধারণ অ্যাপেটাইজার থেকে শুরু করে মুখরোচক নানা পদের সুস্বাদু সব খাবার থাকছে বুফে ডিনারে, যা যেকোনো ভোজনপ্রেমী মানুষকে প্রীত করবে, আনন্দিত করবে। বন্ধু-স্বজন প্রিয়জনকে নিয়ে অবিস্মরণীয় আনন্দময় মুহূর্ত উপহার দেয়ার জন্য হোটেল গ্র্যান্ড পার্ক বরিশাল বরিশালবাসীসহ এখানে আগত সকল অতিথিকে আগাম ও উষ্ণ অভিবাদন জানাচ্ছে।

    বুফের সময়কাল সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত, প্রতি শুক্রবার।

    আগাম বুকিং এর জন্য ০১৭৭৭৭৩৫১৭১-৭৬ ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। প্রতিজনের জন্য বুফের নেট মূল্য ১,৪৯৯ টাকা।

    ভ্রমণডেস্ক

  • ‘টেস্ট অফ ইন্দোনেশিয়া’..

    ‘টেস্ট অফ ইন্দোনেশিয়া’..

    আগামি ১৯ জুন ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শুরু হতে যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার বিখ্যাত সব খাবারের আয়োজন নিয়ে বিশেষ বুফে ডিনার ‘টেস্ট অফ ইন্দোনেশিয়া’।

    বৈচিত্রময় খাবারের স্বাদের জন্য ইন্দোনেশিয়ান রন্ধনশিল্পের খ্যাতি রয়েছে বিশ্বময়। ভোজনরসিকদেরকে এই অসাধারণ ভোজন স্বাদ ও বিচিত্র অভিজ্ঞতা দিতে ডিনার আয়োজনে থাকবে বিখ্যাত ‘রাওন এবং নাসি গোরেং এর মজাদার স্বাদ থেকে শুরু করে ঐতিহ্যবাহি সাতে (কাবাব), কাম্বিং, ইকান গোরেং, বেবেক গোরেং এবং মি গোরেংসহ ইন্দোনেশিয়ার বাহারি খাবারের সেরা ও সুস্বাদু সব আয়োজন।

    সাথে থাকছে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক কার্ডের মাধ্যমে ক্যাফে বাজারে চমকপ্রদ মূল্য অফার ‘ পে ১ ইট ৪’ অর্থাৎ একজনের ডিনার পেমেন্ট মূল্যের সাথে ৩ জনের খাবার ফ্রি।

    ১৯ তারিখ থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ আয়োজন চলবে ২১ জুন ২০২৫ পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ থেকে রাত ১০টা ৩০মিনিট পর্যন্ত। রয়েছে র‌্যাফেল ড্র। আগাম আসন নিশ্চিত করবার জন্য যোগাযোগের নম্বর ০১৭১৩৩৮২৬০৯ ও ০১৭১৩০৩০৫২৮। প্রতিটি ডিনারমূল্য নেট ৭ হাজার ৫০০ টাকা। (শর্ত প্রযোজ্য)

    ভ্রমণডেস্ক